img

শীত বাড়লেই বাড়ির বয়স্কদের জন্য সবার দুশ্চিন্তা বাড়ে। সে জন্য অনেকে ঘর গরম রাখতে বৈদ্যুতিক হিটার কিনেন। যাতে বয়স্করা ঠান্ডায় অসুস্থ হয়ে না পড়েন। আবার অনেকেই বিদ্যুৎ খরচের জন্য হিটার ব্যবহার করতে চান না কিংবা কারো কেনার সামর্থ্য নেই। কিন্তু এ হিটারগুলো কিনে ব্যবহার করলে শরীর ও ত্বকের জন্য ক্ষতিকারক হতে পারে। সুতরাং কয়েকটি কৌশল প্রয়োগ করলে হিটার ছাড়াও শীতকালে ঘর উষ্ণ রাখা সম্ভব।

চলুন জেনে নেওয়া যাক, ঘর গরম রাখার পাঁচটি কৌশল—

রোদের ব্যবহার

শীতের দিনে রোদের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হয়। সকালে রোদ উঠলে জানালার পর্দা খুলে রাখুন। এতে সূর্যের আলো সরাসরি ঘরের ভেতরে ঢুকলে দেয়াল আর মেঝে ধীরে ধীরে গরম হতে থাকে। দুপুরের পর যখন রোদের তেজ কমে আসে, তখন জানালা ও পর্দা বন্ধ করে দিন। এতে দিনেরবেলায় জমে থাকা উষ্ণতা সহজে বাইরে বেরিয়ে যেতে পারে না।

ঘরে ছোট ফাঁক

ঘরের দরজা আর জানালার নিচে কিংবা পাশে ছোট ফাঁক থাকলে সেখান দিয়েই সবচেয়ে বেশি ঠান্ডা বাতাস ঢোকে। এ ফাঁকগুলো পূরণ করে দেওয়া দরকার। পুরোনো তোয়ালে কিংবা মোটা কাপড় ভাঁজ করে দরজার নিচে গুঁজে দিন। ছোট ছোট এ কৌশলে ঘরের তাপমাত্রা ধরে রাখা যায়।

গালিচার ব্যবহার

শীতকালে মেঝে থেকে ঠান্ডা উঠে আসে সবচেয়ে বেশি। তাই খালি মেঝে যথাসম্ভব ঢেকে রাখা ভালো। কার্পেট ও মোটা গালিচা বা পাটের দড়ি দিয়ে তৈরি মাদুর ব্যবহার করলে পায়ের তলায় ঠান্ডা কম লাগে এবং ঘরও তুলনামূলকভাবে উষ্ণ থাকে। বিছানা বা সোফার পাশে গালিচা থাকলে শরীরের উষ্ণতা ধরে রাখা সম্ভব।

রান্নাঘর উষ্ণ রাখুন

শীতকালে রান্নাঘর থেকেও ঘরের উষ্ণতা বাড়ানো যায়। রান্নার সময়ে গ্যাসের আগুন আর গরম পানি থেকে যে উষ্ণতা তৈরি হয়, তা দিয়ে গোটা বাড়ি গরম রাখা যেতে পারে খানিক পরিমাণে। রান্নার সময় রান্নাঘরের দরজা খোলা রাখলে সেই উষ্ণতা ঘরের অন্য অংশে ছড়িয়ে পড়ে। তা ছাড়া হেঁশেলের জানালা বন্ধ রাখলে সেই উষ্ণতা বাইরে যেতে পারে না।

বিছানা উষ্ণ রাখুন

শীতের সময়ে বিছানা কীভাবে রাখছেন, তার ওপর ঘরের উষ্ণতা নির্ভর করে থাকে। মোটা কম্বল, চাদর ইত্যাদি দিয়ে স্তর তৈরি করলে বিছানা গরম থাকে। ভেতরের উষ্ণতা বাইরে বেরোতে পারে না, বাইরের ঠান্ডা বাতাস ভেতরে ঢুকতে পারে না।

এই বিভাগের আরও খবর


সর্বশেষ